আন্তর্জাতিক বাজারে থাই চালের রফতানি মূল্য নয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। অন্যদিকে চাহিদা বৃদ্ধির প্রভাবে ভারতে কিছুটা বেড়েছে খাদ্যশস্যটির দাম। এ সময় ভিয়েতনামে স্থিতিশীল থাকলেও বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী রয়ে গেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
থাইল্যান্ডের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম বৃহস্পতিবার দাঁড়িয়েছে টনপ্রতি ৩৪৫ ডলার, যা ২০১৬ সালের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন। গত সপ্তাহে দেশটিতে প্রতি টন চাল ৩৫০ ডলারে বেচাকেনা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নিম্নমুখী চাহিদা ও বর্ষা মৌসুম শেষে বাড়তি ফলনের কারণে সরবরাহ বৃদ্ধি দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে থাইল্যান্ড চলতি বছর ৭৫ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা বহাল রেখেছে বলে জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
ভারতের ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চাল সপ্তাহজুড়ে টনপ্রতি ৩৫৮-৩৬৫ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের ৩৫৪-৩৬২ ডলারের তুলনায় কিছুটা বেশি। এ সময় একই মানের আতপ চালের দাম ছিল টনপ্রতি ৩৬৯-৩৭৫ ডলার।
নয়াদিল্লিভিত্তিক এক ব্যবসায়ী জানান, ভারতে বেশ কয়েক মাস ধরেই গত তিন বছরের সর্বনিম্ন দামে চাল বেচাকেনা হচ্ছিল। সম্প্রতি চাহিদার প্রভাবে দাম কিছুটা বেড়েছে।
ভিয়েতনামে চলতি সপ্তাহে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের দাম টনপ্রতি ৪৪০-৪৬৫ ডলারে স্থিতিশীল ছিল। হো চি মিন সিটির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল থাকায় লেনদেন কম। বিশেষ করে প্রধান আমদানিকারক দেশ ফিলিপাইন ৬০ দিনের বেশি সময় ধরে আমদানি স্থগিত রাখায় বাজারে দামের নিম্নমুখী চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশে ধানের ভালো উৎপাদন ও পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও খুচরা বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, মোটা চালের কেজিপ্রতি দাম ৫৫-৬০ টাকা, যা এক বছর আগের তুলনায় ১৫-২০ শতাংশ বেশি।